মূল অংশে যান

২৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরী

শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

  • সেহরি শেষ৪:৫৮
  • সূর্যোদয়৬:০৭
  • যোহর১১:৪২
  • ইফতার৫:৩২
  • তাহাজ্জুদ১:০৯

খাতুনে জান্নাত ফাতিমা যাহ‌রা (সালামুল্লাহ আলাইহা)

আল-যাহ‌রা, সায়্যিদাতু নিসাইল আলামিন

নবী (সা.)-এর প্রিয় কন্যা এবং বিশ্বজগতের নারীদের নেত্রী।

জন্ম
২০ জুমাদিউস সানি (নবুওয়াতের ৫ বছর পর)
মৃত্যু
৩ জুমাদিউস সানি ১১ হিজরি
মৃত্যুর কারণ
ইমামত রক্ষায় প্রাপ্ত আঘাতের কারণে

জন্ম ও প্রারম্ভিক জীবন

হযরত ফাতিমা (সা. আ.) মক্কায় নবী মুহাম্মদ (সা.) এবং হযরত খাদিজা (সা. আ.) এর ঘরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর শৈশবকালে তিনি মক্কার মুশরিকদের দ্বারা তাঁর পিতার উপর অমানবিক নির্যাতনের সাক্ষী হন। তিনি নিজ হাতে তাঁর পিতার গায়ের ধুলোবালি পরিষ্কার করতেন, যার জন্য তিনি উম্মু আবিহা (পিতার মাতা) উপাধি লাভ করেন।

বিবাহ এবং পরিবার

মদিনায় তিনি ইমাম আলী (আ.)-এর সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। এটি ছিল একটি ঐশী মিলন। তাঁরা একসাথে অত্যন্ত সাদাসিধে ও আল্লাহমুখী এক পরিবার গঠন করেন। তিনি জান্নাতের যুবকদের সর্দার ইমাম হাসান (আ.) ও ইমাম হুসাইন (আ.) এবং বীরাঙ্গনা হযরত জয়নব (সা. আ.)-এর মাতা। নবী (সা.) বলেছিলেন, "ফাতিমা আমার দেহের অংশ; যে তাকে রাগান্বিত করে, সে আমাকে রাগান্বিত করে।"

ইসলামে অবদান

ইসলামে তাঁর অবদান অতুলনীয়। তিনি নবুওয়াত এবং ইমামতের মাঝে যোগসূত্র। নবীজির ওফাতের পর তিনি ইমাম আলী (আ.)-এর বেলায়েত (নেতৃত্ব) রক্ষায় তীব্র সংগ্রাম করেন। তাঁর বিখ্যাত ফাদাকের খুতবা হলো একত্ববাদ, ন্যায়বিচার এবং ইসলামী দর্শনের এক অনবদ্য দলিল।

দোয়া ও আমল

তিনি উম্মতকে তাসবিহাতে ফাতিমা যাহ‌রা উপহার দিয়েছেন (৩৪ বার আল্লাহু আকবর, ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ, এবং ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ)। এছাড়াও তাঁর শেখানো দোয়ায়ে নূর ব্যাপক সমাদৃত।

সমস্যা জানান
উপরে যান

আপনার ভাষা, থিম ও লেখার সেটিংস মনে রাখতে আমরা প্রয়োজনীয় কুকি ব্যবহার করি। গোপনীয়তা নীতি