মূল অংশে যান

২৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরী

শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

  • সেহরি শেষ৪:৫৮
  • সূর্যোদয়৬:০৭
  • যোহর১১:৪২
  • ইফতার৫:৩২
  • তাহাজ্জুদ১:০৯

কিনানা ইবনে আতিক আল-তাগলিবি (রাঃ)

মহানবীর সাহাবী (কিছু সূত্র মতে), ইমাম হোসাইনের সাহাবী

কুফার একজন সাহসী যোদ্ধা এবং পবিত্র কুরআনের হাফেজ যিনি কারবালায় যুদ্ধ করে শহীদ হন।

জন্ম
অজানা (কুফা)
মৃত্যু
৬৮০ খ্রিস্টাব্দ (৬১ হিজরি) - কারবালা
মৃত্যুর কারণ
কারবালার যুদ্ধে প্রাথমিক তীর বর্ষণে বা প্রথম আক্রমণে শহীদ হন।

বংশ পরিচয় ও পটভূমি

কিনানা ইবনে আতিক ইবনে মুয়াবিয়া আল-তাগলিবি কুফার একজন বিশিষ্ট এবং ধার্মিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তাগলিবি গোত্রের এই বীর তাঁর আধ্যাত্মিকতা, সাহসিকতা এবং পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের প্রতি গভীর অনুরাগের জন্য কুফায় বেশ সমাদৃত ছিলেন। কিছু ঐতিহাসিক সূত্রমতে তিনি মহানবী (সাঃ)-এর একজন সাহাবী ছিলেন যিনি তাঁর পিতার সাথে ওহুদের যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন, তবে বেশিরভাগ নির্ভরযোগ্য শিয়া সূত্র তাঁকে ইমাম হোসাইন (আঃ)-এর একজন অনুগত সাহাবী হিসেবেই স্মরণ করে।

কারবালার যাত্রা

উবায়দুল্লাহ ইবনে জিয়াদের শাসনামলে কুফার রাজনৈতিক পরিস্থিতি যখন চরম বিপজ্জনক হয়ে ওঠে, তখনও কিনানা আহলে বাইতের প্রতি তাঁর ভালোবাসায় অটল ছিলেন। ইমাম হোসাইন (আঃ) কারবালায় পৌঁছালে, কিনানা উমাইয়া বাহিনীর সব বাধা অতিক্রম করে ইমামের শিবিরে যোগ দেন। তাঁর উপস্থিতিতে শিবিরের সবাই আনন্দিত হন, কারণ তিনি তাঁর আধ্যাত্মিক মর্যাদা ও সামরিক দক্ষতার জন্য অত্যন্ত সম্মানিত ছিলেন।

শাহাদাত

আশুরার দিন কিনানা ইবনে আতিক অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে ময়দানে দাঁড়িয়েছিলেন। মাকতাল আল-হোসাইন-এর মতো ঐতিহাসিক গ্রন্থগুলো উল্লেখ করে যে, তিনি সেই সাহাবীদের অন্যতম ছিলেন যারা প্রথম আক্রমণে শহীদ হন, যখন উমর ইবনে সা'দ-এর বাহিনী ইমাম হোসাইনের শিবিরের ওপর বৃষ্টির মতো তীর নিক্ষেপ শুরু করে। জিয়ারত আশ-শুহাদায় তাঁর নাম গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হয়েছে: "কিনানা ইবনে আতিকের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক।" আরও বিস্তারিত তথ্যের জন্য Al-Islam.org দেখুন।

সমস্যা জানান
উপরে যান

আপনার ভাষা, থিম ও লেখার সেটিংস মনে রাখতে আমরা প্রয়োজনীয় কুকি ব্যবহার করি। গোপনীয়তা নীতি